সিলেটে ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের কোপের আঘাতে গুরুতরভাবে আহত খাদিজা আক্তার নার্গিসের শারীরিক অবস্থা দিন দিন উন্নতি হচ্ছে। তিনি এখন চোখ খুলছেন, ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন। শরীরের বিভিন্ন অংশের জখমের ব্যথায় তিনি কাতরাচ্ছেন।
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে এই কথা জানিয়েছেন খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া।
তিনি বলেন, “সোমবার খাদিজার ডান হাতের অপারেশনের আগে তার সঙ্গে আমি দেখা করেছিলাম। তখন সে আমাকে চিনতে পারছে বলে মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ সূচক জবাব দিয়েছিল। পরে অপরিচিত একজনকে সামনে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসা করলে, সে মাথা নাড়িয়ে না বলেছিল।’’
মাসুক মিয়া আরও বলেন, “অপারেশনের পর হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) আমি তাকে দেখতে যাই। তখন তার জ্ঞান ছিল। দেখলাম মেয়েটা আমার ব্যথায় কাতরাচ্ছে।”
ডাক্তারের কাছে জানতে চাইলে আমাকে বলেন, “খাদিজার শারীরিক উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তার শরীরের বিভিন্ন অংশের ব্যথার অনুভূতি ফিরে আসছে।”
উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর স্নাতক (পাস) দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা দিতে সিলেট এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে যান সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিস। পরীক্ষা দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় চাপাতির দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম (২৭)। পরে শিক্ষার্থীরা তাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
এমবি





