রাজধানীর উত্তর বাড্ডার শাহজাদপুরে স্বামীর দেওয়া গরম পানিতে ঝলসে যাওয়া গৃহবধূ পূর্ণিমার (২৪) মৃত্যু হয়েছে।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গরম পানিতে পূর্ণিমার শরীরের ৩০ শতাংশ ঝলসে গিয়েছিল।

গত ২১ মার্চ স্বামী মিজানুর রহমান পারিবারিক কলহের জেরে সকাল সাড়ে ১০টায় স্ত্রী পূর্ণিমার গায়ে গরম পানি ঢেলে দেন। সেদিন বিকেল ৪টার দিকে পূর্ণিমাকে ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করান তার ভাই আমীর হোসেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

পূর্ণিমার ভাই আমীর হোসেন জানান আট বছর আগে পারিবারিকভাবে উভয়ের বিয়ে হয়। শাহীন নামে তাদের চার বছরের এক ছেলে সন্তানও আছে। পূর্ণিমা একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন আর মিজানুর প্রাইভেট কার চালাতেন। এক মাস ধরে পূর্ণিমা আর চাকরি করেন না। মিজানুর তাকে সন্দেহের চোখে দেখতেন। পূর্ণিমা প্রেম করে- এমন সন্দেহে মাঝেমধ্যে তাকে মারধরও করতেন।

পূর্ণিমার মা আসফিয়া বলেন, ‘জামাই কাজ করতেন না। একদিন গাড়ি চালালেও অন্যদিন বসে থাকতেন। মেয়ের টাকা দিয়ে সংসার চলতো। এখন চাকরি নেই, তাই তাকে টাকা দিতে পারেনি। ২১ মার্চ সকালে উভয়ের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে চুলায় পাতিলে ফুটতে থাকা গরম পানি পূর্ণিমার গায়ে ঢেলে দেয় মিজানুর।

এম আর