পদ্মা নদীর মুন্সীগঞ্জের লৌহজং অংশে অভিযান চালাতে গিয়ে জেলেদের হামলায় আহত হয়েছেন উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তারা। মা ইলিশ শিকার বন্ধে অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে বুধবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

এ সময় জেলেদের হামলায় আহত হন সিনিয়র উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা কামরুল হাসান, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ইদ্রিস তালুকদার, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাসেল মোল্লা জেলেদের হামলায় আহত হয়। লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহতদের চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে মৎসা বিভাগের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদসহ উধ্বতন কর্মকর্তারা ছুটে আসেন।

সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ইদ্রিস তালুকদার জানান, ভোর রাত তিনটার দিকে পদ্মা নদীতে ট্রলার ও স্পিডবোটে করে অভিযান শুরু হয় উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা, মাওয়া কোস্টগার্ড ও লৌহজংয়ের পুলিশ সদস্যদের নিয়ে। এ সময় পদ্মা নদীর একটি চরে আমরা ট্রলার থামিয়ে জেলেদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযান চালনা করা হয়।

মা ইলিশসহ ১০-১৫ জন জেলে সেখানে অবস্থান করছিল। মা ইলিশ ও জেলেদের আটক করার প্রস্তুতিকালে আশপাশ থেকে শতাধিক জেলে চড়াও হতে থাকে।

এক পর্যায়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার মাথায় আঘাত করে এবং ইট পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় আমিসহ সমপ্রসারণ কর্মকর্তা রাসেল মোল্লা আহত হন। পুলিশ সদস্যরা ফায়ারিং করলে জেলেরা পিছপা হয় এবং আমরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করি।

মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক শরোজিৎ কুমার ঘোষ জানান, এ ঘটনায় লৌহজং থানা পুলিশের ৮ সদস্য আট রাউন্ড এবং মাওয়া নৌ-পুলিশের ৪ সদস্য চার রাউন্ড গুলি করে।

এএস