সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছে হাইকোর্ট। আগামী ৫ মার্চ তাকে আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদউল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ৫ মার্চ হাজির হওয়ার আদালতের এই নির্দেশ বাস্তবায়নে র্যাবের মহা পরিচালককে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারে নিজেদের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1392705676.jpg[/img]
পুলিশ হত্যারহস্যের কিনারা করতে না পারায় হাই কোর্টের নির্দেশেই ২০১২ সালের ১৮ই এপ্রিল মামলাটি র্যাবে হস্তান্তর করা হয়। র্যাব তদন্তের দায়িত্ব নেয়ার পর সন্দেহভাজন ১৬ জনের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায়। এছাড়া আলামাত হিসেবে জব্দকৃত ছুরি ও পোশাকের নমুনাও পাঠানো হয়। কিন্তু তাতেও খুনি সনাক্ত করা যায়নি।
হত্যাকাণ্ডের এক বছর আট মাস পর ঘটনায় ‘জড়িত’ আটজনকে চিহ্নিত করে সাতজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানান তখনকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। এর মধ্যে পাঁচজনই আবার চিকিৎসক নেতা ডা. নারায়ণ চন্দ্র দত্ত নিতাই হত্যা মামলার আসামি।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1392706055.jpg[/img]
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে বকুল মিয়া, রফিকুল ইসলাম ও কামরুল হারান অরুণ নামে তিনজনের পক্ষে জামিনের আবেদন নিয়ে মঙ্গলবার হাই কোর্টে আসেন তাদের আইনজীবী এস এম মাসুদ হোসেন দোলন।
শুনানিতে তিনি বলেন, ওই তিনজনকে নিতাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ২০১২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর। পরে তাদের সাগর-রুনি হত্যা মমালায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1392706163.jpg[/img]
“দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এ মামলায় অভিযোগপত্র হয়নি। মামলার অগ্রগতি না হওয়ার পরও আসামিদের আটকে রাখা হয়েছে। তাদের জামিন দেয়া হোক।” এরপর আদালত বলেন, আমরা তদন্তের অগ্রগতি জেনে তারপর জামিনের বিষয়ে আদেশ দেব।
[b]ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এফএ[/b]





