মিন্নির প্রতি উৎসাহী না হয়ে মূল আসামির দের দিকে পুলিশের নজর দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। বরগুনায় প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনাটি পিবিআই বা সিআইডির অধীনে তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদন করেন।
আজ রোববার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।
হাইকোর্ট বেঞ্চ বলেন, ‘পুলিশ আরো ‘অ্যালার্ট’ থাকলে হয়ত রিফাতকে মরতে হতো না। পুলিশ কি ঘুমিয়ে ছিল?’ একই সঙ্গে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বা সিআইডির তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একজন আইনজীবীর করা রিট উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন আদালত।
আজ আদালতে রিট আবেদনকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ নিজেই শুনানি করেন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।
এ রিটে বিবাদী করা হয় স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, পুলিশের আইজি, বরিশালের ডিআইজি, বরগুনার পুলিশ সুপারসহ সাতজনকে।
এর আগে গত ২৫ জুলাই বরগুনার আলোচিত রিফাত হত্যা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বা সিআইডির তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন।
এবং এ মামলায় মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অবৈধ ঘোষণা ও এ ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করা হয়।
এএস





