জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (নিপোর্ট) পরিচালক ড. আনিসুল আউয়ালকে প্রশিক্ষণের নামে অর্থ  আত্মসাতের অভিযোগ থেকে  অব্যাহতির সুপারিশ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানী কর্মকর্তার।

জানা যায়, নিপোর্টের পরিচালক ড. আনিসুল আউয়ালের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগ পুন:অনুসন্ধান শেষে দুদকের উপ-পরিচালক হামিদুল হাসান অভিযোগটি  গত ১১ ডিসেম্বর নথিভুক্তির সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দেন।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, প্রশিক্ষণ না দিয়েই ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সরকারের প্রায় ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়  নিপোর্টের পরিচালক  ড. আনিসুল আউয়াল। আর  অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করে অনুসন্ধানের জন্য প্রথমে দুদকের উপ-পরিচালক ডাঃ নূরুল হককে দায়িত্ব  দেয়া হয়। অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করেন।  কিন্তু  প্রতিবেদন ‘যথাযথ’ না হওয়ায় পুনরায় অনুসন্ধানের জন্য পাঠায় কমিশন।

 গত আগস্টে দ্বিতীয় দফায় দায়িত্ব দেয়া হয় উপ-পরিচালক হামিদুল হাসানকে। দুদকে দাখিল করা তার পুন:অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে নিপোর্টের পরিচালক ড. আনিসুল আউয়ালকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতির সুপারিশ রয়েছে। তিনি বলেছেন আনিসুল আউয়ালের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাকে অব্যাহতি  দেয়া যেতে পারে।একই সঙ্গে অভিযোগটি নথিভুক্ত করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন।

 আরো জানা যায়, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা কর্মসূচি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক আদর্শ প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) আত্মপ্রকাশ করে। নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি ও মনোভাব পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ  দেয়ার কথা।  কারণ প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি জোরদার করার জন্য কর্মসূচি ভিত্তিক মূল্যায়নধর্মী এবং অপারেশনাল গবেষণা ও সার্ভে পরিচালনাও নিপোর্টের আরেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। আর দক্ষ জনবল তৈরি জন্যই প্রশিক্ষণের পেছনে অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়। তবে ওই অর্থ লোপাটকারীদের ছেড়ে দেয়ার ফলে প্রশাসনে স্বচ্ছতা এবং জবাব দিহিতার বিষয়টি নিয়ে সব সময়ই প্রশ্ন থেকে যায়।

একে,