নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনার আরও এক সহযোগী মাঈনউদ্দিন শাহেদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় এ নিয়ে মূলহোতা দেলোয়ার ও মামলার প্রধান আসামি বাদলসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার (০৭ অক্টোবর) দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তাদের আটক করে।
জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ টিমের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে দেলোয়ারের সহযোগী শাহেদকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। এই ঘটনায় অন্য আসামিদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”
এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫ জনকে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত পৃথক পৃথক ভাবে তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, গত ০২ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকায় ওই গৃহবধূর বসতঘরে ঢুকে তার স্বামীকে পাশের কক্ষে বেঁধে রাখেন। এরপর গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তারা। এ সময় গৃহবধূ বাধা দিলে তারা বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারধর করে মোবাইলে ভিডিওচিত্র ধারণ করেন। সেটি ছড়িয়ে দেয় ইন্টারনেটে।
এরপর ০৪ অক্টোবর (রোববার) দিনগত রাত ১টায় নির্যাতিতা বাদী হয়ে বাদলকে প্রধান আসামি করে ৯জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার ৩২ দিন পর গত রোববার দুপুরের দিকে গৃহবধূকে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ পাওয়ার পর দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সেটি ভাইরাল হলে টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের।
এমবি





