সাঈদীর আইনজীবী বলেন, ৫ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করা কি সম্ভব? এটাতো প্রশ্নবিদ্ধ এবং অসম্ভব ব্যাপার। তখন বিচারপতি আইনজীবীকে বলেন-পাঁচ বছরের মেয়েও তো ধর্ষিতা হতে পারে। তখন অপর বিচারপতি বলেন সেটা যাইহোক আমাদের বিষয় না।
৭১এ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল হতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আপিল শুনানির শেষ পর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিখণ্ডন শেষে পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেছে আসামী পক্ষের আইনজীবী। আপিল বিভাগ যুক্তি উপস্থাপন অসমাপ্ত রেখে মামলার কার্যক্রম মঙ্গলবার পর্যন্ত মূলতবি করেছেন।
রোববার প্রধান বিচারপতি মো.মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের আপিল বিভাগের বিশেষ বেঞ্চ শুনানি গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।
শুনানিতে সাঈদীর আইনজীবী এস এম শাহজাহান আদালতের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রসিকিউশনের সাক্ষী গৌরাঙ্গ সাহা ট্রাইব্যুনালে দেয়া জবানবন্দিতে বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল ৮ বছর। সাক্ষী বলেছেন,মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ছোট তিন বোনকে নিয়মিত ধর্ষণ করতো সাঈদী। সুতরাং সাক্ষী গৌরাঙ্গ সাহার বয়স যদি সে সময় ৮ বছর হয়,তাহলে তার ছোট তিন বোনের বয়স যথাক্রমে ৭,৬ ও ৫ এর বেশি হবে না।
আইনজীবী বলেন,‘কোন বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে আসামীপক্ষের দেয়া ডকুমেন্টসগুলো ট্রাইব্যুনাল অবিশ্বাস করেছে’।
তিনি বলেন,সাঈদীর বিরুদ্ধে দেয়া এক সাক্ষী তার জবানবন্দিতে বলেছেন,মুক্তিযুদ্ধের সময় সাঈদীর দুটি ছেলে সন্তান ছিল। অথচ জাতীয় সংসদে জমা দেয়া হলফনামায় সাঈদী বলেছেন,তার বড় ছেলের জন্ম ১৯৭০ সালে এবং দ্বিতীয় ছেলের জন্ম ১৯৭২ সালে। এখানে সাক্ষী ও সাঈদীর দেয়া তথ্যের মধ্যে গড়মিল।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র এই একটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করেই ট্র্রাইব্যুনাল সাঈদীর পক্ষে দেয়া ডকুমেন্টস অবিশ্বাস করেছে।
সাঈদীর জীবনের ৭৫ বছরেও কোথাও কখনও শিকদার নামটি ব্যাবহার করেছে এমন একটি কাগজের টুকরাও রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে উপস্থাপন করতে পারেনি। ১৯৫৭ সালে তার জীবনের সর্বপ্রথম সরকারী স্বীকৃতি দাখিল পাসের সনদেও তার নাম দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী এবং বাবার নাম ইউসুফ সাঈদী ছিল। অথচ রাষ্ট্রপক্ষ বলেছেন সাঈদীর নাম দেলওয়ার শিকদার ছিল।
তিনি বলেন,সাঈদী বলেছেন মুক্তিযুদ্ধের পর কোন দলিলপত্রে কিংবা বইয়ে রাজাকার হিসেবে আমার নাম উল্লেখ নেই।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সাঈদীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন। এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আপিল বিভাগে আসামীপক্ষ তাদের যুক্তির্তক উপস্থাপন করেন। ২০১৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর সাঈদীর মামলায় প্রথম আপিল শুনানি শুরু হয়।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেয় আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এ রায়ের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৮ র্মাচ আসামীপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক দুটি আপিল দাখিল করেন।
[b]ঢাকা, কেএ, ১৩ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ
[/b]
৫ বছরের মেয়েও ধর্ষিতা হতে পারে: আদালত
সাঈদীর আইনজীবী বলেন, ৫ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করা কি সম্ভব? এটাতো প্রশ্নবিদ্ধ এবং অসম্ভব ব্যাপার। তখন বিচারপতি আইনজীবীকে বলেন-পাঁচ বছরের মেয়েও তো ধর্ষিতা হতে পারে। তখন অপর বিচারপতি বলেন
পাসের হারে মেয়েরা এগিয়ে থাকলেও জিপিএ-৫ বেশি ছেলেদের
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যাচ্ছে পাসের হারে ছেলেদের চেয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। তবে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ছেলেরা বেশি।
১৭ ঘণ্টা পর দাফন সাঈদীর মামলার বাদীর দাফনে আসেনি কেউ, স্ত্রী-মেয়ে-বোন খুঁড়লেন কবর
আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী মানিক পশারীকে মৃত্যুর প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর দাফন করা হয়েছে। পরিবারের নারী সদস্যদের কবর খোঁড়ার পর শনিবার (২৪ অক্টোবর) গভীর রাতে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে তার বাড়িতে দাফন সম্পন্ন হয়। এ সময় পুলিশ নিরাপত্তা দেয়।
ডিজে পার্টির নামে অনৈতিক কর্মকাণ্ড আলোচিত সেই বাড়ি থেকে আটক পুলিশ কর্মকর্তার দুই মেয়েও
রাজধানীর ভাটারা এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে ডিজে পার্টির আড়ালে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ২৬ জন নারী ও ৫৮ জন পুরুষসহ মোট ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে এক পুলিশ কর্মকর্তার দুই মেয়েও রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বাবার ফোনে ঘরে গেলেন মা এসে দেখলেন পুকুরে ভাসছে মেয়ের লাশ
বাড়ির উঠানে মায়ের সঙ্গে ছাগলকে গাছের পাতা খাওয়াচ্ছিল দুই বছরের শিশু সাইফা খানম। এ সময় বাবার ফোন আসায় মা ঘরে গিয়ে কথা বলতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর বাইরে এসে দেখেন, ছোট্ট সাইফা সেখানে নেই। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাশের পুকুর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি; চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
পিরোজপুরে ট্রলার ডুবিতে মা নিখোঁজ, মেয়ের লাশ উদ্ধার
পিরোজপুরের নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলার সীমান্তবর্তী শ্রীরামকাঠী-ভরতকাঠী ফেরিঘাট এলাকায় অতিরিক্ত যাত্রী ও মোটরসাইকেল বহনের কারণে একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে।
















