মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের ৫ জনের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে ১০ শিক্ষকেরনাম সহ ভুয়া এমপিও ভুক্তি আদেশ জারি অভিযোগে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার কমিশনের এক সভায় এ অভিযোগে ওই ৫ আসামির বিরুদ্ধে দন্ডবিধি ৪০৯/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় পৃথক ২ মামলার অনুমোদন দিয়েছে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ উপ পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ অনুমোদনের ফলে দুদকের উপ পরিচালক আবদুস সাত্তার সরকার বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় যে কোন মামলা ২টি দায়ের করতে পারেন। এক মামলায় ১ লাখ ৯৪ হাজার ২২০ টাকা এবং অপর মামলায় ৪০ লাখ ২২ হাজার ৬৫০ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ আন হচ্ছে।

আর এ ভুয়া এমপিও ভুক্তির পর পরস্পর যোগ সাজশে ২০১৩ সালের দুই দফায় মে ও জুন মাসে বেতন ভাতা উত্তোলন করে ৪২ লাখ ১৬ হাজার ৮৭০ টাকা।

অভিযুক্ত এই ৫ জনের মধ্যে রয়েছে; সিষ্টেম এনালিষ্টে ও ইএমআইএস সেলের আবুল ফজল মো. বেলাল, প্রোগামার মো. আসাদুজ্জামান, প্রোগামার মো. জিয়াউর রহমান, সহকারি প্রোগামার মো. রফিকুল ইসলাম ও সহাকারি প্রোগামার মো. নজিব উদ দৌলা।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের সিষ্টেম এনালিষ্টে ও সহাকারি সিষ্টেম এনালিষ্টগণ যাচাই বাছাই না করেই বেআইনী ভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে মাদরাসার শিক্ষকদের নাম সহ এমপিও ভুক্তির চূড়ান্ত শীট প্রিন্ট করে প্রদান করেন।

জানা যায়, ২০১৩ সালে মে এবং জুন মানে এ জালিয়াত চক্র শিক্ষা অধিদফতরের উপ পরিচালক অর্থ এবং প্রশাসনের স্বাক্ষর ছাড়াই ১০ জন শিক্ষকের নামসহ এমপিও ভুক্তির চূড়ান্ত শীট প্রিন্ট করে আদেশ প্রদান করেন।
একে