সাত বছরের বেশি দেশের ৬৮টি জেলে বন্দি বিচারাধীন ১৩৯ জন আসামি। তাদের বিচার কার্যক্রম আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে শেষ করার জন্য বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ (সোমবার) হাইকোর্টের বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি শহিদুল করিমের বেঞ্চ এই নির্দেশনা দেন। ১৩৯ জন আসামির বিরুদ্ধে হত্যা’সহ বিভিন্ন রকম ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আছে।
হাইকোর্ট তার নির্দেশনায় বলেছেন, যদি কোনো আদালত আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে বিচার কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে এ বিষয়ে বিচারিক কার্যক্রমের অগ্রগতির রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টের মনিটরিং কমিটির কাছে জমা দিতে হবে। একই নির্দেশনায় মামলা নিষ্পত্তিতে নিম্ন আদালতে মামলার প্রত্যক্ষদর্শীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাদের (আইও) নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এক্ষেত্রে তারা ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।
এ ছাড়া, বিচার কাজ শেষ করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সারা দেশের ডিসি ও এসপিদের নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবী অ্যাডভোকেট কুমার দেবুল দে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি শহিদুল করিমের বেঞ্চ এই নির্দেশনা দেন।
উল্লেখ্য, লিগ্যাল এইড কমিটি ২৫৬ জন আসামির মামলা পর্যবেক্ষণ করে তার মধ্যে ১৩৯ জন বিচারাধীন বলে চিহ্নিত করেছে, যারা সাত বছরের বেশি জেলে বন্দি রয়েছে। গত বছর ১৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি জেল কর্তৃপক্ষের কাছে একটি চিঠি পাঠায়।
তাতে বিচারাধীন বন্দির একটি তালিকা চাওয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৩১ ডিসেম্বর কর্তৃপক্ষ বিচারাধীন ২৫৬ জন বন্দির তালিকা লিগ্যাল এইড কমিটির কাছে হস্তান্তর করে।
এমবি





