একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের চতুর্থ সাক্ষী সুলতান কান্তি বর্মণের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ।
সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
সাক্ষ্য গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ সীমন।
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সাক্ষীকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম।
পরে জেরা অসমাপ্ত অবস্থায় মামলার কার্যক্রম আগামীকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত মুলতবি ট্রাইব্যুনাল।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ সীমন, অ্যাডভোকেট জেয়াদ আল মালুম ও অ্যাডভোকেট রেজিয়া সুলতানা চমন। গত বছরের ২৮ অক্টোবর ওপেনিং স্টেসমেন্টের জন্য ঠিক ছিল। ওই দিন রিভিউ আবেদনটি নিষ্পত্তি করতে ট্রাইব্যুনাল-১ এ পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনাল-১ রিভিউ আবেদনটি খারিজ করে মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-২ এ পাঠিয়ে দেন।  
এর আগে গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-১ স্বপ্রনোদিত হয়ে মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-২ এ স্থানান্তরের আদেশ দেন।
গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর মীর কাশেম আলীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-১।
গত বছরের ১৬ মে অ্যাডভোকেট জেয়াদ আল মালুমসহ রাষ্ট্রপক্ষ ১৪টি অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের কাছে দাখিল করেন। গত বছরের ২৬ মে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল -১।
মীর কাশেম আলীর বিরুদ্ধে আনিত ১৪টি অভিযোগের মধ্যে ১১ ও ১২ নাম্বার অভিযোগ ছাড়া বাকী সব অভিযোগই আটক করে নির্যাতনের বর্ণনা রয়েছে।
গত বছরের ৬ মে মীর কাশেম আলীর বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, নারী নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুন্ঠনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ১৪ টি অভিযোগে তদন্ত চুড়ান্ত করে তদন্ত সংস্থা রাষ্ট্রপক্ষ জমা দেন।
গত ২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে ওইদিন বিকেলে মতিঝিলে দৈনিক নয়া দিগন্ত কার্যালয়ের (দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশন) থেকে তাকে গ্রেফতার করে বিকেলে ট্রাইব্যুনালে হাজির কার হয়।
[b]ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ১৬ জিই (টাইমনিউজবিডি.কম)
[/b]