তথ্য গোপন করে স্ত্রীর নামে প্লট বরাদ্দ নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্রধান প্রকৌশলী এমদাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
প্লট বরাদ্দের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে এমন আলোচনাও ছিল সর্বত্র। কিন্তু হঠাৎ করেই সব থেমে গেছে। এ অবস্থায় আবারও তিনি চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে সংস্থাটির সদস্য হওয়ার জন্য জোর তৎপরতা শুরু করেছেন।
ঠিকাদারদের কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা চাঁদা তোলারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। সদস্য হওয়ার জন্য সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি সুপারিশও রাজউক চেয়ারম্যানের কাছে নিয়ে গেছেন এমদাদ। আগামী মাসে তার অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান সময়ে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ও রাজউকের কর্মকাণ্ডে নৈরাজ্য কমাতে ই-টেন্ডারিং ব্যবস্থা চালু করার পথও রুদ্ধ করে রেখেছেন প্রধান প্রকৌশলী এমদাদ।
আর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিজে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। আর দুর্নীতির বোঝা চাপানো হচ্ছে রাজউক তথা সরকারের ঘাড়ে। প্রভাবশালী এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কারণে-অকারণে সরকারি টাকায় বিদেশ ভ্রমণের অভিযোগও আছে। সব মিলিয়ে পুরো রাজউক এখন অনেকটা এমদাদের কাছে জিম্মি।
রাজউক সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুলাই থেকেই ই-টেন্ডারিং ব্যবস্থা চালু করার কথা ছিল। সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। আবার বিষয়টি গত বছরের অক্টোবরে কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী বোর্ড সভায়ও সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়।(সূত্র: বাংলানিউজ২৪.কম)
কেএ





