ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার দুর্নীতর অভিযোগ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) প্রধান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রাজধানীর সেগনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার তাকে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দুদকের এক উপ-পরিচালক তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।

ঘোড়াশাল ৬ নম্বর ইউনিট রি-পাওয়ারিং বা পুনঃক্ষমতায়নের নামে প্রায় দুই হাজার ৬০০ কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও সংগ্রহ করা হয়েছে। দুদক সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, ঘোড়াশাল ৬ নম্বর ইউনিট রি-পাওয়ারিংয়ের জন্য সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় দুই হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

যেখানে ভূমি অধিগ্রহণ ও কেন্দ্র নির্মাণ থেকে শুরু করে উৎপাদনে যাওয়া পর্যন্ত মেগাওয়াট প্রতি ব্যয় হয় প্রায় ছয় কোটি টাকা। সেই হিসাবে ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদন-ক্ষমতাসম্পন্ন কেন্দ্র স্থাপনে খরচ হয় ৬০০ কোটি টাকা, ৫০০ মেগাওয়াটে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা।

ভূমি অধিগ্রহণ, উন্নয়ন, বেজমেন্ট নির্মাণ—এ সব খাতে কোনো ব্যয় না থাকার পরও ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদন-ক্ষমতাসম্পন্ন ঘোড়াশাল ৬ নম্বর ইউনিটের রি-পাওয়ারিং ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে দুই হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

ইআর