আনন্দ শিপইয়ার্ডের বিরুদ্ধে নামে ৭টি ব্যাংক এবং ৭টি লিজিং প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক।
কিন্তু দুদকের এই অনুসন্ধানী টিমকে চাহিদা মোতাবেক তথ্য উপাত্ত সরবরাহ করছে না ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে ৭টি ব্যাংকের মধ্যে মাত্র ইসলামী ব্যাংক এবং ৭টি লিজিং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ৩টি প্রতিষ্ঠান আংশিক তথ্য উপাত্ত সরবরাহ করেছে বলে জানা গেছে।
নাম না প্রকাশের শর্তে দুদকের একজন কর্মকর্তা টাইমনিউজবিডিকে জানান, গত ২৪ এপ্রিল মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর স্বাক্ষরে আনন্দ শিপইয়ার্ডের বিদেশে জাহাজ রফতানির নামে ঋণ প্রদানকারী ওই ১৪টি প্রতিষ্ঠনের কাছে তথ্য উপাত্ত চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়।
ওই চিঠির পর মাত্র ৪টি প্রতিষ্ঠান কিছু তথ্য উপাত্ত্ব সরবরাহ করেছে। বাকিরা তথ্য সরবরাহ থেকে বিরত রয়েছে বলে জানা যায়।
আনন্দ শিপইয়ার্ডের নামে ঋণ প্রদানকারী ৭ ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে; ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (কারওয়ানবাজার শাখা), এবি ব্যাংক লিমিটেড (কারওয়ানবাজার শাখা),মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড (ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট শাখা),ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড (মতিঝিল শাখা), জনতা ব্যাংক লিমিটেড (লোকাল অফিস), এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের (প্রধান শাখা)।
অপরদিকে ৭টি লিজিং প্রতিষ্ঠানের নামের মধ্যে রয়েছে; ফিনিক্স ফাইনান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (পিএফআইএল), বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইনান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসিএল), ফারইস্ট ফাইনান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (এফএফআইএল), আইডিএলসি ফাইনান্স, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইনান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (এনএইচএফয়াইএল), হজ ফাইনান্স কোম্পানি লিমিটেড (এইচএফসিএল) ও প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইনান্স লিমিটেডের (পিএলএফেল)।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, আনন্দ শিপইয়ার্ডের মালিকের জাহাজ নির্মাণের পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত জামানত ছাড়াই ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো মোটা অংকের ঋণ দিয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শনে এ সব জালিয়াতির তথ্য বেরিয়ে আসে। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে দুদক এই বিষয়টি অনুসন্ধান শুরু করেছে। এই বিষয়টিও দুদকের অনুসন্ধানী টিম খতিয়ে দেখছেন।
যেসব প্রতিষ্ঠান তথ্য উপাত্ত্ব না দিয়ে দুদকের এই অনুসন্ধানী কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে নানা চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে,তাদের বিরুদ্ধেও দুদক সংশ্লিষ্ট আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন বলে জানা যায়।
[b]ঢাকা, একে, ২৯ মে ( টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ
[/b]
আনন্দ শিপইয়ার্ডের ঋণ জালিয়াতির তথ্য দিচ্ছে না দুদকে
আনন্দ শিপইয়ার্ডের বিরুদ্ধে নামে ৭টি ব্যাংক এবং ৭টি লিজিং প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক
গোপন সনদে বাল্যবিয়ে জালিয়াতির ফাঁদে কিশোরীদের আইনি সুরক্ষা
সরকারি নিবন্ধন খাতাকে পাশ কাটিয়ে নওগাঁর বিভিন্ন উপজেলায় অবাধে ‘গোপন রেজিস্টারে’ চলছে নাবালক-নাবালিকাদের বাল্যবিয়ে। সরকারি নির্ধারিত ফি-এর চেয়ে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বিয়ের তথ্য আলাদা খাতায় সংরক্ষণ করছেন একশ্রেণীর অসাধু ম্যারেজ রেজিস্ট্রার (কাজী)। পরবর্তীতে ছেলে বা মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হলে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে সরবরাহ করা হয় বিয়ের মূল নকল (কাবিননামা)। রেজিস্ট্রেশনের এই অবৈধ বাণিজ্যের কারণে আইনি সুরক্ষা ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগে ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন পুতুল
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সংস্থাটির তদন্ত চলার মধ্যেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন।
তালাক নিবন্ধনে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ডিজিটাল বিবাহ জালিয়াতি রোধ সহজ হবে: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন চালু হলে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, জাল বিবাহ সনদ ও বিবাহসংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতি রোধ করা সহজ হবে। একই সঙ্গে জনগণ দ্রুত বিবাহ ও তালাকের তথ্য যাচাই এবং ডিজিটাল সনদ পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
শেয়ার জালিয়াতি মামলায় আসামি পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি চুপ্পু
দুর্নীতি, প্রতারণা, প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংকের অর্থ লুট ও আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে পারস্পরিক জোগসাজশে ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহলের মামলার আসামি পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। এ মামলায় তার সাথে রয়েছেন আরো ১৯ জন।
৮০ হাজার কোটি টাকা ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতিতে চুপ্পুর কোম্পানিও জড়িত
সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সসহ এস আলমের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো।
















