রাজধানীর হাজারীবাগের গণকটুলিতে কিশোর রাজুকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত ও হাজারিবাগ থানা ছাত্রলীগ সভাপতি আরজু মিয়া (২৮) র‍্যাবের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় র‍্যাব-২ এর অধিনায়ক ও ডিএডিসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

রোববার আরজুর রড় ভাই মাসুদ রানা ঢাকার মুখ্য হাকিমের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন, র‍্যাব-২ এর অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মাসুদ রানা, র‍্যাব-২ এর ইন্সপেক্টর শাহিদুর রহমান, ইন্সপেক্টর ওয়াহিদুজ্জামান এবং র‍্যাবের সোর্স রতন। এছাড়া অজ্ঞাত আরো তিন/চারজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলাটির অভিযোগের ওপরে আদালত শুনানি গ্রহণ করলেও পরে আদেশ দিবেন বলে জানিয়ে দেন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ আগস্ট রাজুকে মারধরের সময় আরজু পা ধরেও ভাইকে বাঁচাতে না পারা বড় বোন রেশমা আক্তার শাবানা হাজারীবাগ থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় আরজুকে প্রধান আসামিসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। রেশমা মামলা দায়েরের পরপরই তদন্ত নামে র‍্যাব-২।

র‍্যাব-২ এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল মাসুদ রানা জানান, মামলার তদন্তে নেমে রাত সাড়ে ১১টায় হাজারীবাগ এলাকা থেকে আরজুকে আটক করে র‍্যাব।

পরে তাকে সাথে নিয়ে অন্য আসামিদের ধরতে হাজারীবাগের বারইখালী এলাকায় পৌঁছানোর আগেই ওঁৎ পেতে থাকা আরজুর সহপার্ঠীরা র‍্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

তিনি আরো বলেন, পরে র‍্যাবও তাদের জবাবে পাল্টা গুলি চালায়। এর এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলেও আরজুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভোর সাড়ে ৫টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

লে. কর্নেল মাসুদ রানা জানিয়েছন, আরজু মারা গেলেও তবে অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এসএইচ