জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামান কারাগারে মৃত্যুদণ্ডাদেশের আদেশ জানার পরপরই সাত দিনের হিসেবে গণনা শুরু হয়েছে। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির কাছে সাতদিনের মধ্যে দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ দেয়ার যেই বিধান রয়েছে তার সময় গণনা শুরু হবে কামারুজ্জামান রায়ের বিষয়ে জেলখানায় অবহিত হওয়ার পর থেকেই।

আজ সন্ধ্যায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক তার বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। আর এই সুযোগ কামারুজ্জামানকে দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তবে, গত সোমবার (৩ নভেম্বর) আপিল বিভাগ মৃতুদণ্ড বহাল রেখে রায় দেয়ার পর কখন তা কামারুজ্জামানকে জানানো হয়েছে সে ব্যাপারে আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।

সর্বোচ্চ আদালতে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকার পর সাতদিনের মধ্যে দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ কামারুজ্জামান পাচ্ছেন জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন এটাই বিধান।

এদিকে, ফাসিঁ কার্যকর করার ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্তের কথা জেল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

কখন রায় কার্যকর করা হচ্ছে-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি কোন জবাব দেননি আইনমন্ত্রী। আইন অনুযায়ীই সবকিছু হবে বলেও জানান তিনি।

রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি বের হবার পরই ক্ষমা প্রার্থনা বা রিভিউ আবেদন করা হবে বলে কামারুজ্জামানের পরিবার ও তার আইনজীবীরা যে বক্তব্য দিচ্ছেন সে ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায়ের কথা আইনে বলা নাই, বলা আছে পূর্ণাঙ্গ আদেশ। অর্থাৎ রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশ হলেই হবে।

কেএ, কেবি