তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। তবে এ বিষয়ে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী শিশির মনির।
বুধবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে ২৬ আগস্ট বিকেলে এ আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হয়ে পরবর্তী সময়ে জামিনে থাকা জাকির হোসেনের পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি দায়ের করেন আইনজীবী শিশির মনির।
আইসিটি এ্যাক্টের ৫৭ ধারায় বলা রয়েছে, ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোনো ব্যক্তির তথ্য যদি নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হতে উদ্বুদ্ধ করে, এতে যদি কারো মানহানি ঘটে, রাষ্ট্র বা ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, তা হবে অপরাধ। এর শাস্তি অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং অনধিক এক কোটি টাকা জরিমানা।
রিট দায়েরের দিন শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ১৪ বছর ও এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। অথচ একই অভিযোগে পর্নোগ্রাফি আইনে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানার কথা বলা হয়েছে। এটি সরাসরি বৈষম্য।’
আইসিটি এ্যাক্টের ৫৭ ধারাটি সংবিধানের ২৭, ৩১, ৩২ ও ৩৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক হওয়ায় ধারাটি চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করা হয়েছে’ উল্লেখ করেন শিশির মনির।
তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইনের চোখে সকলে সমান এবং ৩৯ অনুচ্ছেদে মত প্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে ৫৭ ধারাটি সাংঘর্ষিক।’
এআই





