মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি(১৮)’কে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে ফেনীর জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

আজ (১২ মে) রোববার পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদশক সোহেল রানা (মিডিয়া) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোহেল রানা বলেন, ফেনীর এসপিকে প্রত্যাহারের পর পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করায় সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তার একদিন পর দুই উপপরিদর্শককেও (এসআই) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এসআই মো. ইউসুফকে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয় ও এসআই মো. ইকবাল আহাম্মদকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ০৬ এপ্রিল (শনিবার) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নুসরাত জাহান রাফি (১৮) আলিম (এইচএসসি) আরবি প্রথমপত্র পরীক্ষা দিতে যান। এরপর কৌশলে তাকে পাশের একটি ভবনের ছাদে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে ৪/৫ জন মিলে নুসরাতের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুর ধরিয়ে দেয়। এতে তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়। টানা পাঁচদিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অনেক কষ্ট ও যন্ত্রণা সহ্য করার পর গত ১০ এপ্রিল (বুধবার) রাত ৯টায় মারা যান অগ্নিদগ্ধ নুসরাত।

নুসরাত জাহান রাফি সোনাগাজীর উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের মাওলানা এ.কে.এম মুসা মানিকের মেয়ে। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে নুসরাত তৃতীয়।

এমবি