রাজধানীর আদাবর থানা পুলিশের এক উপপরিদর্শকের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে বিচার বিভাগীয় তদন্তে। মঙ্গলবার আদালত এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে।

এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি এই অভিযোগের ঘটনায় করা মামলার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক সালেহ উদ্দিন আহমেদ।

৩১ জানুয়ারি ওই ছাত্রীকে হেনস্তা করার অভিযোগ ওঠার পর ওই এসআইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

গত মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা গোলাম রাব্বী এবং সিটি করপোরেশনের পরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র দাসকে নিপীড়নের ঘটনার সুরাহা হওয়ার আগেই পুলিশের আরেকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মিলল।

আদালতে ওই ছাত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্লাস শেষে বেলা তিনটায় রিকশায় করে ফেরার পথে মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদের সামনে আদাবর থানার এসআই রতন কুমার হালদার রিকশা থামিয়ে তাঁকে নামতে বলেন। এ সময় রতনের সঙ্গে দুজন কনস্টেবল ছিলেন। এরপর তাঁকে একটি দোকানে ঢুকতে বলেন ওই এসআই। ঢোকার পর এসআই রতন তাঁর (ছাত্রী) কাছে ২০০ ইয়াবা আছে বলে দাবি করেন। দোকান থেকে সবাইকে বের করে দিয়ে তাঁর ব্যাগে তল্লাশি চালানো হয়। তাঁর জ্যাকেট খুলতে বলা হয় এবং নানা ধরনের কটূক্তি করা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাঁকে হয়রানি করা হয়।

ওই ছাত্রী বলেন, ‘আমি বারবারই বলছিলাম, আপনি আমাকে সার্চ করতে পারেন না। সার্চ করতে হলে আমাকে থানায় নিয়ে চলেন। এভাবে আমাকে শ্লীলতাহানি করে।

জানাযায়,ওই ছাত্রীর স্বামী স্থানীয় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। গত বছর নাশকতার মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

এসআই রতন বলেছিলেন, ওই ছাত্রীর স্বামী পুলিশের কাছে ভুল ঠিকানা দিয়েছিলেন। রাস্তায় চিনতে পেরে তাঁকে থামিয়ে তাঁর স্বামীর বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন।

এমএম