৪১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবীর হত্যার সঙ্গে তার শ্যালক মিন্টু জড়িত রয়েছে। এ কথা জানিয়েছেন র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়া আসামিরা। তবে র‌্যাবের দাবি, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ীক কারণে মিন্টু এ হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা করতে পারে।

মঙ্গলবার বিকালে র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান। এ সময় গ্রেফতারকৃতদের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি। গ্রেফতারকৃতরা হলো- আমেনা আক্তার (২৭), জান্নাতুল নাঈম (২২) ও ইব্রাহীম সরকার রাজন (৩৫)।

তিনি জানান, আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় প্রথমে আমেনা আক্তার নামে এক নারীকে সাভার-নবীনগর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে দুটি পাসপোর্টসহ অর্ধ লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার করা হয়।

তার দেয়া তথ্য মতে, আদাবর থেকে জান্নাতুল নাঈম ও আগারগাঁও থেকে রাজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সবাই এই হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তারা একথাও স্বীকার করে যে, নিহত জাহাঙ্গীরের স্ত্রীর ভাই মিন্টু টাকা দিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।

মাহমুদ জানান, রাজনের পিস্তল দিয়েই জাহাঙ্গীরকে গুলি করা হয়। আর কিলিং মিশনে অংশ নেয় নাঈম ও রাজন । হত্যাকান্ডের সময় মিন্টু বাংলাদেশেই অবস্থান করছিলেন। হত্যার পর সে দেশের বাইরে পালিয়ে গেছে। এমন তথ্য-প্রমাণ র্যানবের কাছে রয়েছে বলে জানান র্যােবের এই মুখপাত্র।

তিনি আরও জানান, মিন্টু কেন তার ভগ্নিপতি জাহাঙ্গীরকে হত্যা করলেন তার নির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনও খুঁজে পায়নি র‌্যাব। এখন মিন্টুকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারলেই হয়ত হত্যাকান্ডর সঠিক রহস্য বের হয়ে আসবে বলে মনে করছে র্যা্ব।

এদিকে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী পারভীনের দাবি, হত্যার সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক তার যথাযথ বিচার চান তিনি।

গত ৯ আগস্ট শনিবার রাতে আগারগাঁওয়ে নিজের বাসার সামনে গুলিবিদ্ধ হন। এরপর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা, ২৬ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই