রাজধানীর মতিঝিল এলাকা থেকে অজ্ঞান পার্টির পাঁচজনকে আটকের ব্যাপারে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মনিরুল ইসলাম বলেছেন, রাষ্ট্রয়াত্ব সোনালি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা অজ্ঞান চক্রের সাথে জড়িত। সে ওই অজ্ঞান পার্টির মূল হোতা। নাম মোঃ আবুল বাশার।

আটককৃত অপর চারজন হলেন, আব্দুল মতিন ওরফে অজ্ঞান মতিন, মোঃ সেলিম, মোঃ শিমুল ও মোঃ আবুল হোসেন।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে তাদের আটক করা হয়। এ সময় বাশারের কাছ থেকে ১৮০০ পিস ঘুমের ট্যাবলেট জব্দ করেছে ডিবি।

গ্রেফতারের পর সাংবাদিক সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম বলেন, বাশার বর্তমানে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত রয়েছে।

চাকরির পাশাপাশি মতিঝিলের কালভার্ট রোডে বাশারের ‘গাউছিয়া’ নামের একটি ফার্মেসী আছে। সেখান থেকে সে অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের ঘুমের ঔষধ সরবরাহ করতো।

এটি আমদানি নিষিদ্ধ ঘুমের ওষুধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি ভারত ও পাকিস্তানে তৈরি হয়। বাশার সীমান্ত এলাকা থেকে ওষুধগুলো অবৈধভাবে আমদানি করে এবং অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি করে।

মনিরুল ইসলাম আরো বলেন, এবছর ডিবি অজ্ঞান পার্টির মোট ৫৪ জন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এদের মধ্যে ২৫ জনকে ওষুধ সরবরাহ করতো বাশার নিজেই।

আটকৃতরা ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় লঞ্চ, বাস ও রেল স্টেশনে খাবারের সঙ্গে এ ওষুধ মিশিয়ে মানুষকে খাইয়ে অজ্ঞান করে তাদের সম্পদ হাতিয়ে নিত বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।

তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান মনিরুল ইসলাম।

এমআর/এমকে