ব্রাজিল থেকে আমদানিকৃত নিম্নমানের গম নিয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে।
গম আমদানির ক্ষেত্রে কোনো দুর্নীতি হয়েছে কি না তা দুদকের মাধ্যমে খতিয়ে দেখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে এই আপিল আবেদনে।
একই সঙ্গে একটি নিরপেক্ষ ল্যাবরেটরীতে এসব গম পরীক্ষা করার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিতে প্রার্থনা করা হয়েছে। এসব গম খাওয়ার উপযুক্ত কিনা তাও পরীক্ষা করার কথা বলা হয়েছে।
আগামী ২১ জুলাই আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আপিলকারীদের পক্ষে ব্যারিস্টার এহসানুর রহমান।
গত ৮ জুলাই ‘ব্রাজিল থেকে আমদানি করা গম কাউকে জোর করে দেওয়া যাবে না এবং কেউ ওই গম ফেরত দিতে চাইলে কর্তৃপক্ষকে তা ফেরত নিতে হবে’— এমন পর্যবেক্ষণ দিয়ে এ বিষয়ে দায়ের করা রিট নিষ্পত্তি করে দেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
পরে রাষ্টপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অবশ্য চেম্বার বিচারপতি ওই আদেশ ২৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করে দেন।
২৯ জুন ব্রাজিল থেকে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার নিম্নমানের গম আমদানিতে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন পাভেল মিয়া নামে এক আইনজীবী। রিট আবেদনে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দিয়ে তদন্তের নির্দেশনা চান।
রিট আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। কিন্তু খাদ্যের অনুপযোগী গম সরবরাহ করা সংবিধান পরিপন্থী।
পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিল থেকে আমদানি করা ৪০০ কোটি টাকার দুই লাখ টন ‘নষ্ট ও পচা গম’ নিয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তর ‘লুকোচুরি করছে’।
পচা ও নষ্ট গম আমদানির অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পরও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। বরং সেগুলো বিভিন্ন কর্মসূচিতে এবং সরকারি সংস্থায় বিতরণ করা হচ্ছে।
এমকে





