রাজধানীর ফকিরাপুলের আলোচিত সুমি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আরও ছয়জনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ পশ্চিম (ডিবি)। আটকদের মধ্যে চারজনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বাকি দু'জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

রোববার রাতে রাজধানীর গোপীবাগের রেললাইন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে সুমি হত্যার কিছু আলামত একটি চাপাতি, একটি ছুড়ি, সুমির কিছু চুল, কিছু রক্তামাখা পোশাক, একটি টেপ পেচানো বল, কোরোসিনের বোতল এবং মাংস কাটার কাঠ উদ্ধার করা হয়।

আটক কৃতরা হলেন, মো: সাইদুল ইসলাম (২৭), হানিফ (২৬), রাতুল আহম্মেদ (২৩), নুরনবী শাওন (১৯), মো: সুজন (২৩), সুমন ওরফে তোতলা সুমন (২৪)।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো: মনিরুল ইসলাম।

তিনি জানান, সিমু ও তার স্বামী নাসির উদ্দিন পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করত। তবে তারা দু'জনই একসময় ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত ছিল।

এর আগে এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ২১ মার্চ শনিবার সকালে জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল নামে একজনকে আটক করে র‌্যাব।

গত ১০ মার্চ ফকিরাপুল পানির ট্যাংকি সংলগ্ন হোটেল উপবনের পাশে রোকেয়া আহসান মঞ্জিল ও আশপাশের তিনটি বাড়ির ছাদ থেকে তরুণী সুমীর সাত টুকরা লাশ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনা ধামাচাপা দিতে ঘাতকরা লাশের মুখমণ্ডল আগুনে ঝলসে দেয়। সেই সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করে সাত টুকরা করার পাশাপাশি ওই অংশগুলো দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়।

এআই/ এআর