মোহাম্মদপুরের শিক্ষিকা কৃষ্ণা কাবেরী বিশ্বাস হত্যার প্রধান আসামি কে এম জহিরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ আতাউল হক এ আদেশ দেন। এর আগে সকালে এই আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।
গত ৩১ মার্চ মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের ভাড়া বাসায় খুন হন কৃষ্ণা কাবেরী মন্ডল। এ ঘটনার মামলার বাদী হলেন সুধাংশু শেখর বিশ্বাস। কৃষ্ণার স্বামী সিতাংশু শেখর বিশ্বাস বিআরটিএ’র প্রকৌশল বিভাগের উপপরিচালক।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার দিন জন্মদিনের ওসিলা করে আসামি কে এম জহিরুল ইসালাম কেক, জুস হাতে একটি ছোট ব্যাগ নিয়ে কৃষ্ণা কাবেরীদের বাড়িতে আসেন। কৌশলে সুধাংশু শেখর বিশ্বাসের ছোট ভাই সীতাংশু শেখর বিশ্বাসকে জুস খাইয়ে অচেতন করে। এরপরই হাতুড়ি দিয়ে কৃষ্ণা কাবেরী ও তাঁর মেয়ে শ্রুতি বিশ্বাসকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কৃষ্ণা মারা যান।
মোহাম্মদ ফারুক হায়দারী সোহাগ নামের আরেক আসামি এ মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। তিনি গত ১৬ জুলাই জামিন পান। কিন্তু পলাতক ছিলেন কে এম জহিরুল ইসলাম।
আগামী ১২ অক্টোবর এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে।
প্রসঙ্গত, কৃষ্ণা কাবেরী আদাবরে মিশন ইন্টারন্যাশনাল কলেজের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রভাষক ছিলেন।
সিতাংশুর ঘনিষ্ঠজনেরা জানিয়েছেন, সিতাংশুর পূর্বপরিচিত জহির আহমেদ হামলার ঘটনা ঘটান। জহির গুলশানের একটি ব্রোকারেজ হাউসের ব্যবস্থাপক। সিতাংশু তাঁর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। ওই টাকা আত্মসাৎ করতেই জহির পরিকল্পনা অনুযায়ী সপরিবারে সিতাংশুকে হত্যার জন্য হামলা ও গানপাউডার ছিটিয়ে বাসায় আগুন লাগিয়ে দেন। পরে তিনি পালিয়ে যান।
কেএইচ





