পিটিয়ে সোনালী ব্যাংকের এক কর্মকর্তার আঙুল ফাটিয়ে দিয়েছেন পুলিশের এক সার্জেন্ট ও দুই কনস্টেবল। ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে অসদাচরণের দায়ে সার্জেন্ট ও এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার (২২ জুলাই) সকালে গাজীপুরের টঙ্গীর সাতাইশ এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের হাতে মার খেওয়া আহত ব্যক্তির নাম মো.আমির হোসেন। তিনি টঙ্গীর সাতাইশ ব্যাংকপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং সোনালী ব্যাংকের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখার জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯টার দিকে ব্যাংক কর্মকর্তা আমির হোসেন বাড়ি থেকে বের হয়ে রিকশা দিয়ে ব্যাংকের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সাতাইশ রোডের মাথায় পৌঁছালে সেখানে কর্তব্যরত সার্জেট মো. ফিরোজ এবং কনস্টেবল শ্যামল দত্ত তার রিকশার গতিরোধ করেন। রিকশাটি আর যেতে দেয়া হবে না। এ নিয়ে রিকশার চালক এবং দুই পুলিশ সদস্যের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান,  এ সময় রিকশাযাত্রী ব্যাংক কর্মকর্তা আমির হোসেন দুই পুলিশ সদস্যকে বলেন, আমি রিকশা ভাড়াটা মিটিয়ে চলে যাই, তারপর আপনারা রিকশাটা সরিয়ে দেন। এর পরই দুই পুলিশ সদস্য তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এর প্রতিবাদ করলেই তাকে বেদম মারধর করে। এতে ব্যাংক কর্মকর্তার হাতের আঙুল ফেটে যায়। এ সময় আশাপাশের লোকজন ছুটে এসে ঘটনার প্রতিবাদ করে এবং দুই পুলিশ সদস্যকে অবরোধ করে রাখে। খবর পেয়ে টঙ্গী থানা পুলিশ ও অন্য ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে এসে দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে। আহত ব্যাংক কর্মকর্তাকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।

গাজীপুর ট্রাফিক বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সালেহ উদ্দিন আহমেদ জানান, সার্জেন্ট ফিরোজ ও কনষ্টেবল শ্যামল দত্তকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার করে গাজীপুর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এসএম