বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতিতে আরও ১৫ মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

৮২৫ কোটি ১৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৬৬ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাং‌কের সাবেক এমডিসহ ১২৮ আসামির বিরুদ্ধে রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন ও গুলশান থানায় মামলাগুলো দায়ের করা হ‌য়ে‌ছে।

এ নিয়ে বেসিক ব্যাংক ঋণ কেলেঙ্কারিতে মোট দুই হাজার ২৬৬ কোটি ৩৪ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা আত্মসাতে দুদক মোট ৫৬টি মামলা করে।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মতিঝিল থানায় পাঁচটি, পল্টন থানায় ছয়টি ও গুলশান থানায় চারটি মামলাসহ ১৫টি মামলা দায়ের করে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা উপসহকারী পরিচালক এ, কে, এম, ফজলে হোসেন ও মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এসব মামলায় নাম নেই ব্যাংকের সা‌বেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই ওরফে বাচ্চুর। একই সঙ্গে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদেরও কোনো সম্পৃক্ততা দুদকের অনুসন্ধানে আসেনি। তবে মামলার এজাহারে তদন্তকালে জাড়িতদের পরবর্তীতে আসামি করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, ঋণ জালিয়াতিতে ৭৮০ কোটি ৫৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ২৩ মামলা করে দুদক। ২১ সেপ্টেম্বর (সোমবার) ৬৬০ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৯ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রথম ধাপে মোট ১৫৩ আসামির বিরুদ্ধে ১৮ মামলা দায়ের করে দুদক।

ব্যাংকটির প্রাক্তন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ফখরুল ইসলামসহ অনেকেই একাধিক মামলায় আসামি হিসেবে আছেন। দুদক দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ওই ১৮টি মামলা দায়ের করা হয়।

বেসিক ব্যাংকের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে ২০১০ সালে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধান পর্যা‌য়ে পাঁচবার অনুসন্ধান টিম পুনর্গঠন হয়। সর্বশেষ দুদকের উপপরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের দল অনুসন্ধান কাজ শেষ ক‌রে।

কেএইচ