একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের চূড়ান্ত রায়ের কপি ট্রাইব্যুনাল থেকে রায়ের কপি কারাগারে পাঠানো হচ্ছে।

এর আগে বিচারপতিদের স্বাক্ষরিত কপি প্রথমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে পাঠানো হয়। সেখান থেকে কপিটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ নভেম্বর কামারুজ্জামানকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর দেওয়া ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে আপিল মামলার চূড়ান্ত রায় সংক্ষিপ্ত আকারে দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর পরদিন ১৯ ফেব্রুয়ারি কামারুজ্জামানের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ৫ মার্চ আপিল মামলার চূড়ান্ত পূর্ণাঙ্গ রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনটি দাখিল করেন কামারুজ্জামানের আইনজীবীরা। আসামিপক্ষের আবেদনে দু’দফা পেছানোর পর রোববার (৫ এপ্রিল) রিভিউ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কামারুজ্জামানকে ২০১৩ সালের ৯ মে ফাঁসির আদেশ দেন চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি শাহীনুর ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২।

এসএইচ