বাংলাদেশে নিহত ব্লগার ওয়াশিকুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, লেখালেখির দায়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। আর এ লেখালেখির স্বাধীনতার জন্য বিচার করতে হবে সরকারকে।

ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় সোমবার সকালে মিস্টার রহমানকে কুপিয়ে হত্যা করে দুষ্কৃতিকারীরা।

এ ঘটনায় পুলিশের হাতে আটক দুইজন স্বীকার করেছে যে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে লেখালেখি করার জন্য ওয়াশিকুর রহমানকে হত্যা করেছে তারা।

নিহত রহমানের ভাই ইমরান হোসেন বলেছেন ওয়াশিকুর রহমানের সাথে কখনো কারও কোন বিরোধের কথা তারা শুনেননি।

“বয়সে আমার ছোট। একটু আত্মকেন্দ্রিক ছিল। মত প্রকাশের কারণে এভাবে নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া ঠিক হতে পারেনা”।

তিনি বলেন, “গুড বয় ছিল। কারও সাথে কোন বিরোধ নেই। শুনিনি কখনো যে তার কারও সাথে কোন সমস্যা আছে”।

হোসেন বলেন অপরাধীর শাস্তি পাওয়া উচিত। যে কোন অপরাধীই যেনো আইনের আওতায় আসে এবং সরকারের দায়িত্ব সেটাই।

“ও কথা কম বলতো। সে এ ধরনের লেখালেখি করতো সেটিই জানতামনা”।

অস্ত্রধারীদের আক্রমণে নিহত ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান বিভিন্ন নামে একাধিক ব্লগ সাইটে এবং তার ফেসবুক প্রোফাইলে সমকালীন নানা বিষয়ে তার মতামত লিখতেন।

এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, 'ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেবার কারণেই' মি. রহমানকে হত্যা করার কথা বলেছে আটককৃত দুজন।

এসএইচ