মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক বাগেরহাটের সিরাজ মাস্টার, আব্দুল লতিফ তালুকদার ও খান আকরাম হোসেনের মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানী শেষ হয়েছে।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- ১ এর চেয়ারম্যান এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন ২ সদস্যের বেঞ্চে শুনানী শেষে আগামী ১২ অক্টোবর আসামী পক্ষের শুনানী শুরুর দিন ধার্য্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সোমবার ওই তিনজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে গত ২০ জুলাই আসামি সিরাজ মাস্টারকে বাগেরহাটের কচুয়ায় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে শাখারীকাঠি বাজারে গণহত্যা, ধর্ষণ ও বাড়িতে অগ্নিসংযোসহ ৬টি অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা গ্রামে তার চাচা শ্বশুর মৃত মোসলেম পাইকের পরিত্যক্ত খুপড়ি ঘর থেকে বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশ তাকে আটক করে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক ৩ আসামির সকলকেই পুলিশ কচুয়া, রাজশাহী ও বাগেরহাট সদর থেকে আটক করে।
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার তদন্ত দল দীর্ঘ তদন্ত শেষে সিরাজ মাস্টার, খান আকরাম হোসেন ও আব্দুল লতিফ তালুকদারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগদায়ের করে।
গত ১০ জুন ট্রাইব্যুনাল-১ এই ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলেকচুয়া থানা পুলিশ পরের দিন ১১ জুন আসামি আঃ লতিফ তালুকদারকে গ্রেফতার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করে।
এরপর গত ১৯ জুন অপর পলাতক আসামি আকরাম হোসেন খানকে রাজশাহী থেকে মোড়েলগঞ্জ থানাপুলিশ গ্রেফতার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সোপর্দ করে।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কচুয়ার শাখারী কাঠি বাজারে ৪২ জনকে গণহত্যা করা হয় তার মধ্যেরঘুদত্তকাঠি গ্রামের শহীদ জিতেন্দ্র নাথ দাসের ছেলে নিমাই চন্দ্র দাস বাদীহয়ে ২০০৯ সালে কচুয়া থানায় সিরাজ মাস্টারসহ ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
ঢাকা, কেএ, ৩০ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর





