গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরে অপহরণের ৯ দিন পর কলেজছাত্রী মোছাম্মৎ শারমিন আকতারকে (২০) উদ্ধার করেছে পুলিশ।এসময় ‘অপহরণকারী’ গণেশচন্দ্র বর্মণকে (২৮) আটক করা হয়।

সাদুল্যাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল বারী জানান, অপহৃতাকে উদ্ধার করতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হয়।রবিবার বিকেলে গোপন খবর পেয়ে বগুড়ার আজিজুল হক কলেজ এলাকার জামিলনগর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।এসময় অপহরণকারী গণেশচন্দ্র বর্মণকে আটক করা হয়।

তিনি জানান, সেনাবাহিনীতে কর্মরত এক সৈনিকের সঙ্গে ‘বিয়ের প্রলোভন’ দেখিয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় গণেশচন্দ্র বর্মণ।

শারমিন অপহরণের ঘটনায় তার বাবা সাহেব উদ্দিন গণেশ চন্দ্রসহ আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে সাদুল্যাপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

সাদুল্যাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরহাদ ইমরুল কায়েস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অপহৃত কলেজছাত্রী ও অপহরণকারী গণেশ চন্দ্র বর্মণকে সোমবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে।

অপহৃত শারমিন আকতার একই ইউনিয়নের মান্দুয়ারপাড়া গ্রামের সাহেব উদ্দিনের মেয়ে ও নলডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্রী।গণেশ চন্দ্র বর্মণ সাদুল্যাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের দামোদরপুর গ্রামের ফণিচন্দ্র বর্মণের ছেলে। তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী ও দুই সন্তানের জনক।

এদিকে ‘অপহরণকারী’ গণেশচন্দ্র বর্মণ পুলিশকে জানিয়েছে, শারমিনকে তিনি অপহরণ করেননি।তাকে ভালোবেসে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।পরে দুজনে বগুড়ার একটি আদালতে উপস্থিত হয়ে কোর্টে এফিডেবিট করে ‘বিবাহ’ করেছেন।

এমই