নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান পায়েলকে (২১) নদীতে ফেলে হত্যা মামলায় হানিফ পরিবহনের চালক ও সহকারী ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ (০১ নভেম্বর) রোববার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১’র বিচারক আবু জাফর মো: কামরুজ্জামান এই রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- হানিফ পরিবহনের বাসচালক জামাল হোসেন, সুপারভাইজার মো: জনি ও হেলপার মো: ফয়সাল হোসেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মো: আবু আবদুল্লাহ ভুঞা। আর আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন হুজজাতুল ইসলাম।
এর আগে ঘটনার প্রায় দুই বছর পর গত ০৪ অক্টোবর যুক্তিতর্ক শেষে রোববার (০১ নভেম্বর) এই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন ঢাকা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। সেদিনই হত্যা মামলার তিন আসামির জামিন বাতিল করে আদালত তাদের কারাগারে পাঠায়।
২০১৮ সালের ২১ জুলাই রাতে দুই বন্ধু আকিবুর রহমান আদর ও মহিউদ্দিন শান্তর সঙ্গে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে করে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে রওনা হওয়ার পর নিখোঁজ হন সাইদুর রহমান পায়েল। কিন্তু ২৩ জুলাই মুন্সিগঞ্জ উপজেলার ভাটেরচর সেতুর নিচের খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে গজারিয়া থানা পুলিশ।
নিহত পায়েল চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহরের বাসিন্দা গোলাম মাওলার সন্তান ছিলেন। তাদের গ্রামের বাড়ী চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায়।
পায়েলের লাশ উদ্ধারের পরদিন ২৪ জুলাই তার মামা গোলাম সরওয়ার্দী বিপ্লব বাদী হয়ে হানিফ পরিবহনের চালক, সহকারী ও সুপারভাইজারকে আসামি করে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এমবি





