প্রসিকিউশনের সদস্য জেয়াদ আল মালুম বলেছেন, দেশবাসী ন্যায় বিচার পেয়েছে। ভুক্তভোগী ও বিচার প্রার্থীদের আকাঙ্খা বাস্তবায়ন হয়েছে। তিনি জানান, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে কাঙ্খিত সকল রায় দেয়া হবে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশের প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তিনি। এসময় প্রসিকিউশনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে আনিত ১৪টি অভিযোগের মধ্যে ১০টি প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যে ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগে তাকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়। আর ২, ৩, ৪, ৬, ৭, ৯, ১০ ও ১৪ নম্বর অভিযোগে সর্বমোট ৭২ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

রোববার বিচারপতি ওবাইদুল হাসানের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মুজিবুর রহমান ও বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলাম।

এর আগে রোববার সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে ৩৫১ পৃষ্ঠার এই রায়ের সারসংক্ষেপ পড়া শুরু হয়। এর আগে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানা থেকে এজলাসে নেয়া হয় মীর কাসেম আলীকে। ওই দিন সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে কারাগার থেকে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে ওইদিন বিকালে মতিঝিলে দৈনিক নয়া দিগন্ত কার্যালয় (দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশন) থেকে তাকে গ্রেফতার করে বিকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এএইচ/জেআই