সোনালী ব্যাংকের সাবেক ডিজিএমসহ ৫জনের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে সাড়ে ২৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পৃথক ২ মামলার দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার কমিশন এ মামলা দুটি দায়েরের অনুমোদন দেয়। ফলে শিগগিরই ২৬ কোটি ৬৪ লাখ ৬১ হাজার ১৪৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক দন্ডবিধির ৪০৯/১০৯ এবং ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা ২টি দায়র করা হবে।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপ পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন , মেসার্স সিয়াম নীটওয়্যারের মালিক মো. হাবিবুর রহমান, মেসার্স তাহা নীট কনসানের মালিক খন্দকার হারুন অর রশিদ, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড নারায়ণগঞ্জ কর্পোরেট শাখার সাবেক ডিজিএম চৌধুরী আবদুল হান্নান, সাবেক ডিজিএম সৈয়দ আহমেদ মিজি ও সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মো. নূরুজ্জামান।
দুদক সূত্র মতে, ২০০৬ সালের ২ জানুয়ারি থেকে ২০০৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেসার্স সিয়াম নীটওয়্যার ৪৪টি ব্যাংক টু ব্যাংক এলসির বিপরীতে ২৫ কোটি ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৩৯ টাকা ঋণ গ্রহণ করে অপরিশোধিত ২১ কোটি ৩৮ লাখ ৬ হাজার ৬৫৪ টাকা আত্মসাৎ করে।
এই প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. হাবিবুর রহমান, সোনালী ব্যাংক নারায়ণগঞ্জ কর্পোরেট শাখার সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মো. নূররুজ্জামান ও সাবেক ডিজিএম চৌধুরী আবদুল হান্নানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে একই সময়ে মেসার্স তাহা নীট কনসার্ন ২৮টি ব্যাক টু ব্যাক এলসির বিপরীতে সোনালী ব্যাংকের ওই শাখা থেকে ৭ কোটি ৯২ হাজার ৮১২ টাকা ঋণ গ্রহণ করে অপরিশোধিত ৫ কোটি ২৬ লাখ ৫৪ হাজার ৪৯৩ টাকা উত্তোলনপূর্বক আত্মসাৎ করা হয়।
এ অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক খন্দকার হারুন অর রশিদ, সোনালী ব্যাংক নারায়ণগঞ্জ কর্পোরেট শাখার সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মো. নূরুজ্জামান ও সাবেক ডিজিএম সৈয়দ আহমেদ মিজির বিরুদ্ধে অপর মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
একে/এসএইচ





