খুলনা প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের (কেপিপিএল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর চাঁদা গ্রহণ নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত অভিযোগ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে ২৭ মে পর্যন্ত সময় দিয়েছে হাইকোর্ট।  
বুধবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
গত ৭ মে কেপিপিএলের আইপিও সংক্রান্ত সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে প্রতিবেদন বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলে।
এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে পরের দিন ৮ মে চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে। ফলে পুনরায় আইপিও সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু করে কোম্পানিটি।
আদালত বলেন,আমাদের আদেশ স্থগিত করেছে সেটা চেম্বার বিচারপতির এখতিয়ার। তবে পত্রিকার প্রতিবেদনে যে অভিযোগ উঠেছে সে বিষয়টি স্থগিত করেনি। তাই এ বিষেয়ে ব্যাখ্যা দিবে কেপিপিএল। পরে ২৭ মের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন আদালত।
উল্লেখ্য, গত ৩০ এপ্রিল দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত কোম্পানিটির আইপিও নিয়ে ‘মিথ্যা তথ্যে ৪০ কোটি টাকা তোলার প্রস্তাব’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। তারই সূত্র ধরে ৪  মে ‘ব্যবস্থা নেয়নি বিএসইসি,কেপিপিএলের চাঁদাগ্রহণ শুরু আজ’ শীর্ষক আরেকটি ফলোআপ প্রতিবেদন ছাপা হয়।
এই প্রতিবেদনটি যুক্ত করে জনস্বার্থে এক আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রুল জারির পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন। রুলে কেপিপিএলের আইপিওর চাঁদা গ্রহণের কার্যক্রম স্থগিতে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না,তা জানতে চাওয়া হয়। অর্থসচিব,বিএসইসির চেয়ারম্যান,কেপিপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সোনালী ইনভেস্টমেন্টকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
[b]ঢাকা,কেএ ২১মে (টাইম নিউজবিডি.কম)/[/b]