ওয়াহিদুর রহমান নামের এক ব্যবসায়ীর প্রায় এক হাজার কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় সিটি ব্যাংকের ১৯ কর্মকর্তাসহ ২০ জনকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার দুদকের উপ-পরিচালক জুলফিকার আলী সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মাধ্যমে ওই ১৯ কর্মকর্তাকে তলবি নোটিশ পাঠান।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, ২০০৫ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে ৪টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় কথিত ব্যবসায়ি ওয়াহিদুর রহমান।
ওই ব্যবসায়ি চিকিৎসার নামে সিঙ্গাপুর পালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে সিটি ব্যাংক থেকে ট্রাইও হলোগ্রাম ইন্ডাস্ট্রিজের নামে নেওয়া ১৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছে কথিত ব্যবসায়ি ওয়াহিদুর রহমান।
দুদকের পাঠানো নোটিশে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে; সিটি ব্যাংকের প্রধান শাখার সাবেক সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার মাসুদ আল ফারুক, এসএভিপি মো. মিজানুর রহমান, ইভিপি ও ম্যানেজার মো. আব্দুল কুদ্দুস, ভিপি মো. শওকত আলী ও সৈয়দ ফাখরী ফয়সালকে।
নোটিশে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে; সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ইভিপি ও হেড অব ক্রেডিট সাব্বির আহমেদ, ক্রেডিট ডিভিশনের ভিপি এ কে এম হাসানুজ্জামান, এফভিপি মাহফুজুর রহমান, এভিপি সৈয়দ মাহমুদুল হাসান সালেহ্, এসভিপি মো. শাহজাহান আলী, এভিপি তাওহীদ হোসেন মজুমদার, ভিপি ও ম্যানেজার মো. বদিউজ্জামান ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার রহমান সিফাত সাব্বিরকে।
নোটিশে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে; সিটি ব্যাংকের ক্রেডিট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ভিপি এস এম জি কিবরিয়া, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার তানভীর আহমেদ মাহবুব, ভিপি মো. ইয়াকুব হোসেন, ভিপি মঞ্জুর-উল- মাওলা, এফভিপি তাহের জামিল, অফিসার মো. ইমরান হোসেন এবং ট্রাইও হলোগ্রাম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ আবু হাসানকে।
আরো জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ঋণ জালিয়াতির এসব তথ্য বেরিয়ে আসে। পরে দুদক ওইসব অভিযোগ আমলে নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে। দুদকের উপ-পরিচালক জুলফিকার আলীর নেতৃত্বে একটি টিম এ অভিযোগের অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন।
একে





