আইনজীবীর বক্তব্য নিয়ে বিবৃতি দেয়ায় ৭ সাংবাদিক নেতা ও দুই পত্রিকার সম্পাদক-প্রশাসককে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে রুল নিষ্পতি করেছেন আদালত।
বুধবার বিচারক নাঈমা হায়দার ও বিচারক জাফর আহমদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদিশ দেন।
বিকেল চারটার পর ৭ সাংবাদিক ও সমকালের পক্ষে আদালতে হাজির হন ড. শাহদীন মালিক। দৈনিক নয়া দিগন্তের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিকী।
শাহদীন মালিক সাংবাদিকদের আবেদন উপস্থাপন করেন। আবেদন উস্থাপনের পর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে রুল নিষ্পত্তি করে দেন আদালত। এর আগে দুপুরে সাংবাদিকদের ব্যাক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন আদালত। এই আদেশের ফলে আদালত অবমাননা থেকেও সাংবাদিকরা অব্যাহতি পেলেন।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, এই ঘটনা অপ্রত্যাশিত। অষ্টম সংশোধনী মামলার রায়ের সময়ও দেখেছি আইনজীবী ও সাংবাদিকরা আদালত কক্ষে সহ-অবস্থান করেছেন। কিন্তু আজ ঘটেছে তা অপ্রত্যাশিত।
আদালত আরও বলেন, আজ আদালতের ভিতরে ভিডিও করা হয়েছে। আদালতের ভিতরে ভিডিও করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই অনুশীলন ভবিষ্যতে যেন আর না হয়।
এরপর রায়ে আদালত রুল নিষ্পিত্তি করে আদেশ দেন।
রুলে অভিযুক্ত সাংবাদিকরা হলেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহেদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান। বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এমএম জসিম ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি কাজী মোবারক হোসেন ও সেক্রেটারি এম সুজাউল ইসলাম।
গত ৯ মার্চ প্রথম আলো নিয়ে আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে কয়েকটি সংগঠনের দেয়া বিবৃতি দেয়ায় আদালত অবমাননার রুল জারি করেনে। একই কারণে দৈনিক সমকাল ও নয়া দিগন্তের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন আদালত।
[b]ঢাকা, জিই ১২ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)
[/b]
অপরাধ
সাংবাদিক নেতাদের বিরুদ্ধে রুল নিষ্পত্তি
আইনজীবীর বক্তব্য নিয়ে বিবৃতি দেয়ায় ৭ সাংবাদিক নেতা ও দুই পত্রিকার সম্পাদক-প্রশাসককে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে রুল নিষ্পতি করেছেন আদালত।





