কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক থেকে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আকতার কামালের (৪১) গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
তবে আকতার কামালের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁকে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
আকতার কামালকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাবি করেন, আজ শুক্রবার ভোরে দরিয়ানগর ২ নম্বর ব্রিজ এলাকায় গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়।
একপর্যায়ে সেখানে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ দেখতে পায় পুলিশ। পরে তাঁকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ওসির আরো দাবি, লাশের পাশে এক হাজার ইয়াবা, একটি এলজি ও চারটি গুলি পড়েছিল। প্রতিপক্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে আকতার কামাল নিহত হয়েছেন বলে পুলিশের ধারণা। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী ও গডফাদার ছিলেন।
আকতার কামাল সংসদ সদস্য উখিয়া-টেকনাফের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বড়বোন শামসুন্নাহারের দেবর এবং টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্য।
আকতার কামালের ভগ্নিপতি সাবারাং এলাকার বাসিন্দা এসব তথ্য জানিয়ে অভিযোগ করেন, ‘গতকাল রাত ৯টার দিকে নিজ বাড়ির সামনে থেকে আকতার কামালকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আজ সকালে তাঁর লাশ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ।’
সরকারের ঘোষণা মোতাবেক, সারা দেশে মাদকবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। আজসহ গত ছয়দিনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে অর্ধশতাধিক সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
এমআর





