পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত আইজিপি’র পিএ মো. আইয়ুব আলীকে গোপন তথ্য পাচার, বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং নিয়োগ,বদলি বানিজ্যসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য যাচাইয়ের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার দুদক অনুসন্ধানী কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অত্যন্ত গোপনীয়তার মাধ্যমে পুলিশ কর্মকর্তা মো. আইয়ুব আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।
দুদক সূত্র জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা মো. আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন, অবৈধভাবে (নিজে) পুলিশে নিয়োগ পেয়েছেন, পুলিশে বদলি,সরকারের গোপন তথ্য এবং বিদেশে অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
তার বিরুদ্ধে দুদকে প্রাপ্ত অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি অবৈধভাবে নিয়োগ পেয়েছেন। পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়ন তার স্থায়ী ঠিকানা। কিন্তু পুলিশে নিয়োগের সময় পটুয়াখালী জেলায় কোনো কোটা না থাকায়, মো. আইয়ুব আলী ঢাকার ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে নিয়োগ নিয়েছেন।
পুলিশ সদর দফতরের আইজিপি ও অতিরিক্ত আইজিপির পিএ হিসেবে কাজ করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে তিনি ঢাকায় জমি, ফ্ল্যাট, একাধিক গাড়িসহ কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয় , মো. আইয়ুব আলী পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত মহা-পুলিশ পরিদর্শকের (প্রশাসন) সঙ্গে থাকার সুবাদে বিরোধী দলের বিভিন্ন লোকদের অনেক গোপন তথ্য পাচার করে দিয়ে সরকারকে বিপাকে ফেলতে সহযোগীতা করে আসছে।’
রাজধানীর বাড্ডায় ইউনাইটেড সোসাল অ্যাডভান্সমেন্ট নামের একটি এনজিও খুলে তা তার স্ত্রী ও অন্যান্যদের দিয়ে পরিচালনা করছেন তিনি।
এনজিওতে বিনিয়োগকৃত নিজের টাকা বিদেশে তার আত্মীয়দের মাধ্যমে অনুদান দেখিয়ে তা বৈধ করে কার্যক্রম চালাচ্ছেন।
আরো অভিযোগ রয়েছে, মো. আইয়ুব আলী পুলিশ সদর দফতরের আইজিপি ও অতিরিক্ত আইজিপির ভয় দেখিয়ে অর্থ অদায় করেছেন।
তিনি হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার, নিজ এলাকায় বিভিন্ন লোকজন দিয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগসাজসে মাদক ব্যবসায় পরিচালনা করছেন বলেও অভিযোগও রয়েছে।
একে/এসএইচ





