সোমবার (২ জানুয়ারি) সাইদুলকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় আসামি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন।
এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক এমদাদুল হক তার জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশেকে ইমাম তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গত তিন মাস আগে সাইদুলের সঙ্গে তার দ্বিতীয় স্ত্রী তুলির বিচ্ছেদ হয়। রোববার (১ জানুয়ারি) বছরের প্রথমদিন। তাই পুনরায় সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য মিরপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে যান তারা। আবারও ঘর-সংসার করতে পারেন কি না- এ ব্যাপারে দুজনই কথা বলেন। সেখানে তাদের দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সাইদুল তুলিকে ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলে মারা যান তুলি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা লাইলি বেগম বাদী হয়ে শাহআলী থানায় হত্যা মামলা করেন।
এমআই





