আইডিয়াল কো-অপারেটিভ লিমিটেড- আইসিএল'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এইচএনএম শফিকুর রহমানকে ৭০ হাজার গ্রাহকের ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা উপ-পরিচালক হামিদুল হাসান তাকে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করেন। গত ১৭ নভেম্বর পাঠানো নোটিশে শফিকুর রহমানকে ২০ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছিল কিন্তু তিনি ওই দিন আসেননি। আজ দুদকে এসেছেন।

জানা যায়, এর আগে আর অভিযোগের ওপর দুদক ২০১৩ সাল থেকে অনুসন্ধান করেন উপ-পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিন। দুদকের এ কর্মকর্তা অনুসন্ধানকালে গত মার্চে শফিকুর রহমানকে একবার ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। দুদকের এ কর্মকর্তা কোনো প্রতিবেদন দাখিল না করায় নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে উপ-পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিনকে এ বিষয়ে অনুসন্ধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে উপ-পরিচালক হামিদুল হাসানকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ৭০ হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে ১ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় আইসিএল এর এমডি শফিকুর রহমান গং। এরপর এ বিষয়ে রেকর্ডপত্র বুঝে পাওয়ার পর শফিকুর রহমানকে পুনরায় তলবি নোটিশ পাঠানো হয়। এছাড়া পুন:অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে শফিকুর রহমান, আইসিএল’র পরিচালক ও তার স্ত্রী কাজী শামসুন্নাহার দিনা, শফিকুরের পুত্র-কন্যার ব্যাংক একাউন্টে লেনদেনের রেকর্ড চাওয়া হবে।

জানা যায়, ১২ বছর ধরে আইসিএল গ্রুপের সহযোগী এ প্রতিষ্ঠান (সমবায় সমিতি) গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। ২০০১ থেকে ২০১২ অর্থবছর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির অডিট রিপোর্টে বেশকিছু আপত্তি ছিল। তাতে গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল আলম, এমডি এইচএনএম শফিকুর রহমান এবং ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অবঃ) মোঃ শহিদুল্লাহসহ নয়জন পরিচালককে দায়ী করা হয়। এমডি শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ চক্র ৭০ হাজার গ্রাহকের আমানত আত্মসাত করে।

একে/কেএইচ