সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটি এম শামসুল হুদার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ খারিজ করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ১১ টায় বিচারপতি কাজী রেজাউল হক এবং এবিএম আলতাফ হোসেনের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালত নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করায় সাবেক এ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছিল যা আজ তার উপস্থিতিতে খারিজ করা হল।
শামসুল হুদার বক্তব্য নিয়ে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার-এ ‘নো রুল অব ল’ শিরোনামে প্রতিবেদন ছাপা হয়। গত ১৮ মে আদালত তাঁর প্রতি রুল ও তাঁকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
নির্দেশ অনুসারে ১১টা ১৮ মিনিটে আদালতে হাজির হন এ টি এম শামসুল হুদা। এর দুই মিনিট পরে তিনি এজলাস কক্ষে উপস্থিত হন। এ সময় আদালত বলেন, ‘উনাকে (শামসুল হুদা) বসতে দিন।’
আসন গ্রহণের পর তাঁর পক্ষে ড. কামাল হোসেন রুলের জবাব ও বক্তব্যের অনুলিপি আদালতে দাখিল করেন।
এ সময় ডেইলি স্টার-এর পক্ষে আইনজীবী তানজীব উল আলম বলেন, যে প্রতিবেদনটি হয়েছে তা ভুলভাবে হয়েছে। এ জন্য পত্রিকার পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে। এটি ২৯ মে প্রকাশিতও হয়েছে।
আদালত বলেন, ‘এ বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে। উনি (শামসুল হুদা) সম্মানিত লোক। এটা উনার জন্য এবং সবার জন্য ক্ষতিকর। উনি যখন সিইসি হিসেবে ক্ষমতায় ছিলেন তখন তো এমন কথা বলেননি।’
শুনানি শেষে আদালত রুল খারিজ করে আদেশ দেন। ১১টা ৪০ মিনিটে শামসুল হুদা আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।
১৭ মে রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার-ইনে সাবেক এই প্রধান নির্বাচন কমিশনার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) উদ্যোগে ‘রাজনৈতিক দলসমূহ এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্র’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্য ১৮ মে বিভিন্ন সংবাদপত্রে ছাপা হয়।
ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার-এ নো রুল অব ল শিরোনামে প্রতিবেদন ছাপা হয়। এতে শামসুল হুদাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্মকমিশন, বিচার বিভাগসহ সব সাংবিধানিক সংস্থা রাজনীতীকরণ হয়ে গেছে। এসব জায়গায় অযোগ্য ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন। দেশে বর্তমানে কোনো আইনের শাসন নেই।
[b]ঢাকা, কেএ, ৩ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসআর//এনএস[/b]