একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীরফাঁসি কার্যকরের আগে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেছেন আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন।
সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে তিনি কারাগারে প্রবেশ করেন বলে কারা সূত্রে জানা গেছে।
ইতিমধ্যে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ ও সিভিল সার্জন ডা. আলী হায়দার।
এছাড়া তিনটি অ্যাম্বুলেন্সও কাশিমপুর কারাগারের ভেতরে ঢুকেছে।
কারা সূত্র জানিয়েছে, আজ রাতেই মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর করা হবে। ইতিমধ্যে ফাঁসি কার্যকরের আনুষাঙ্গিক সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
মীর কাসেমের স্বজনরা কারাগার থেকে বের হতে না হতেই প্রবেশ করেন তিনি।
বেলা তিনটা ৪৫ মিনিটে পরিবারের সদস্যরা কাশিমপুর কারাগার কম্পাউন্ডে প্রবেশ করেন।
মীর কাসেম আলীর স্ত্রী খন্দকার আয়শা খাতুন, মেয়ে সুমাইয়া রাবেয়া ও তাহেরা তাছনিম, ছেলের স্ত্রী সাইয়েদা তাহমিদ আক্তার ও তাহমিনা আক্তার, বড় ভাই ডা: মীর নাছিম আলী, ভাইয়ের ছেলে মীর ওসমান বিন নাছিম, ভাইয়ের মেয়ে রায়হানা নাছিমসহ ৪৫ জন সদস্য তার সাথে দেখা করতে কারাগারে যান।
তবে কারা কর্তৃপক্ষ স্ত্রী, দুই মেয়ে, দুই ছেলের স্ত্রী, ভাই, ভাতিজা ও ভাতিজিসহ ২৫ জনকে মীর কাসেম আলীর সাথে দেখা করার অনুমতি দেয় বলে জানা গেছে।
বিকেল চারটা ৩৫ মিনিটে তাদের সাক্ষাতের জন্য ভেতরে নেয়া হয়। সাক্ষাৎ শেষে ছয়টা ৪০ মিনিটে কারাগার থেকে বেরিয়ে যান তারা।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিরপুর বাসা থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের উদ্দেশে তারা যাত্রা করেন তারা। এর আগে বিকেল সাড়ে তিনটায় সাক্ষাতের সময় দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।
এমবি





