ত্রিশালে পুলিশ হত্যা করে জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় পলাতক জেএমবি সদস্য সালাউদ্দিন সালেহীন ওরফে সানি ও জাহিদুল ইসলাম ওরফে বোমারু মিজান এবং ওই ঘটনার সন্দেহভাজন পরিকল্পনাকারী ফারুক হোসেনকে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থাও (এনআইএ) খুঁজছে। 

মঙ্গলবার ঢাকা সফররত এনআইএ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, বর্ধমান বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্দেহভাজনদের যে তালিকা এনআইএ কর্মকর্তারা সোমবারের বৈঠকে দিয়েছেন, ততে সানি, মিজান ও ফারুকের কথা রয়েছে। আর বাংলাদেশের তদন্ত সংস্থাগুলোও তাদের খুঁজছে।    

বর্ধমানের ঘটনায় এনআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার শেখ রহমতুল্লাহ সাজিদ যে বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের মাসুম সে বিষয়েও পুলিশ ‘অনেকটা নিশ্চিত’ হতে পেরেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।   

তবে বাংলাদেশের দুই নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে হত্যার জঙ্গি ষড়যন্ত্রের বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মনিরুল বলেন, ‘ওপেন সোর্স’ থেকে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে এনআইয়ের তথ্যের অনেক ‘গড়মিল রয়েছে’।

পুলিশ সদরদপ্তরে  বেলা আড়াইটা থেকে প্রায় আড়াই ঘণ্টার এই বৈঠকে এনআইএ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সংস্থার মহাপরিচালক শারদ কুমার।

আর বৈঠকে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের ছয় সদস্যের কমিটির নেতৃত্বে আছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন আহমেদ।ৱ

জেআই