ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েছে মো: মওদুদ আহমেদ জীবন নামে এক ছেলে।

সে মানবিক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ভূক্ত ‘সি’ ইউনিটে ভর্তি ইচ্ছু। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের রিপন নামে এক শিক্ষার্থীর মাধ্যেমে প্রক্সি দেয় বলে জানায় মওদুদ। পরে ভাইভা বোর্ডে অসংলগ্ন কথা বললে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে ধরা পড়ে। মওদুদ মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার মাসুদ পারভেজের ছেলে।

ইউনিট সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য সকলের মতই পূর্বনির্ধারিত সময় ৩০ নভেম্বর সকালে ‘সি’ ইউনিটের ভাইভা দিতে আসে মওদুদ। তার দেয়া তথ্য কাগজপত্রের সাথে না মিললে বিষয়টি প্রক্টরকে জানানো হয়। প্রক্টরিয়াল বডি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে প্রক্সির কথা স্বীকার করে।

মওদুদ জানান 'আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপন নামে এক ছেলের সাথে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার চুক্তি করে ছিলাম। চুক্তি মতো সে আমার পরীক্ষা অন্য জনকে দিয়ে দেওয়ানোর ব্যবস্থা করেছিল। আমি নিজে পরীক্ষা দেই নাই'।

পরে মওদুদ তার স্বীকারোক্তি ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রে নিজে লিখে দেয়। পরে প্রক্টরিয়াল বডি তাকে ইবি থানায় হস্তান্তর করে।

উল্লেখ্য, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির দায়ে গত ১৮ তারিখে ভ্রাম্যমাণ আদালত রিপনকে ৬ মাসের কারা দণ্ড দেয়। সেই ঘটনায় রিপনসহ আরো দুই জনের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। রিপন ইবির গণিত বিভাগের ০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

ইবি থানার ওসি চৌধুরী শফিকুল ইসলাম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মওদুদ নামে এক জনকে থানায় পাঠিয়েছে। আমরা আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করব।”

এমএ