বাদ পড়া বিচারপতি এবিএম আলতাফ হোসেনের রিট খারিজ হবার পর ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সংবিধানের ৯৫ ধারা অনুযায়ী নিয়োগ না দেওয়ার কারণে ২টি রিট আবেদন করেন বাদ পড়া বিচারপতি এবিএম আলতাফ হোসেন ও ইদ্রিসুর রহমান।
বুধবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বিত অবকাশকালীন বেঞ্চ দুইটি রিট আমলে না নিয়ে (সামারিলি রিজেক্ট)খারিজ করেছে হাইকোর্ট। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিষ্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।
মুরাদ রেজা বলেন, আমি আদালতকে বলেছি, প্রধান বিচারপতি কোন বিচারপতির ব্যাপারে যে মতামত দিবেন তাই প্রাধান্য পাবে। তাছাড়া, সরকার কোন বিচারপতির পূর্বাপর আচরণে যদি সন্তুষ্ট না হয় তাহলে তিনি বাদ পড়তে পারেন। এক্ষেতে সরকারের মতামতও প্রাধান্য পাবে।
কিন্তু আদালতে রিটকারীর পক্ষে আপিল বিভাগের ২৫/০২/২০০৯ এর ১৭ জন বিচারপতির নিয়োগ সংক্রান্ত রায়কে মূখ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি আদালতকে আরও বলেছি, সরকার ও প্রধান বিচারপতি যদি একমত হয় তাহলেই তিনি নিয়োগ পেতে পারেন। তারা আদালতে বিচারপতি রশিদ সাহেবের রায়ের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
সরকার জানতে পারে তার এ্যানটিসিডেন্ট(পূর্বাপর বিষয়াদি)অর্থাৎ আদালতের বাহিরে তার আচরণ কেমন ছিল। কিন্তু প্রধান বিচারপতির এটা জানা কঠিন। তাই সরকার ও প্রধান বিচারপতি উভয়ের পজিটিভ (ইতিবাচক) মতামত থাকলে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্চতা আসতে পারে। এ ব্যাপারে হাইকোর্টের সিদান্ত দেওয়ার ক্ষমতা নাই।
গত ১৪/০৬/২০১২ তে ৬ জন বিচারপতিকে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরে জুন ২০১৪ তে ৫ জন বিচারপতিকে স্থায়ী নিয়োগ দেয়া হয়।
ঢাকা, কেএ, ২৪ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম,এসএইচ





