রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের ১০ কর্মকর্তাকে বিধি লঙঘন করে স্বজন প্রীতির মাধ্যমে পদোন্নতি সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত্ব চেয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার দুদকের এক নিয়মিত সভায় এ অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য উপ-পরিচালক কেএম মিছবাহউদ্দিনকে দায়িত্ব দেয়া হয়।
এ দায়িত্ব পাবার সঙ্গেসঙ্গে দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা কেএম মিছবাহউদ্দিন বিকালেই রাজশাহী বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুর রউফ মিয়াকে জরুরি ভিত্তিতে তথ্য-উপাত্ত সরবরাহের জন্য চিঠি পাঠান।
তিনি চিঠিতে ১০ জন দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা পদে উন্নীতকরণ সংক্রান্ত কাগজপত্র,পদোন্নতি প্রদানের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধদের দায়েরকৃত রিটের কপি,পদোন্নতি প্রদানের লক্ষ্যে প্রস্তুতকৃত প্রার্থী তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সার্ভিস বইয়ের ছায়ালিপি চেয়েছেন।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে,সম্প্রতি শিক্ষাবোর্ডের সিলেকশন-১ কমিটির সুপারিশ ছাড়াই জ্যেষ্ঠতা লঙঘন করে ১০ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি প্রদানের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড।
এ বিষয়ে গত ৮ সেপ্টেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। দুদক ওই প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়।
ঢাকা,একে,১১ সেপ্টম্বর,টাইমনিউজবিডি.কম,এসআর





