গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ৭৬ কেজি বোমা পুঁতে রাখার মামলায় ১০ জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার ঢাকার ২ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মমতাজ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন।

এছাড়া মামলায় অপর ৯ আসামিকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।আসামিদের গুলি করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ কার্যকরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১০ আগস্ট এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনালের বিচারক রায় ঘোষণার জন্য এদিন ধার্য করেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০০ সালের ২২ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশ করার কথা ছিল। ওই সমাবেশের প্যান্ডেল তৈরির সময়ে ২০ জুলাই ওই কলেজের পাশ থেকে ৭৬ কেজি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই ঘটনায় কোটালীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক নূর হোসেন মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সী আতিকুর রহমান ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল মুফতি আবদুল হান্নানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

প্রায় ১৭ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হল।

বাংলাদেশে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর সিলেটে গ্রেনেড হামলা ও তিনজনকে হত্যা মামলায় মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় শেখ হাসিন হত্যাচেষ্টার মামলা থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়েছে।

মামলার অন্যতম আসামিরা হলেন- মো. মহিবুল্লাহ, মুন্সি ইব্রাহিম, মো. মাহমুদ আজহার, মো. রাশেদ ড্রাইভার, মো. শাহ নেওয়াজ, মো. ইউসুফ, মো. লোকমান, শেখ মো. এনামুল ও মো. মিজানুর রহমান।

এমবি