৭১'র মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রপক্ষের(১৯তম) সর্বশেষ সাক্ষী এম ইদ্রিস আলীর জেরার কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এতে একই সঙ্গে আজহারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহন সম্পূর্ন করছে ট্রাইব্যুনাল।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চে এই সাক্ষীর জেরার কার্যক্রম শেষ হয়।
আজ আদালতে তদন্ত কর্মকর্তা এম ইদ্রিস আলীকে শেষ বারের মত জেরা করেন আজহারের আইনজীবী আবদুস সোবহান তরফদার।
জেরা চলাকালে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ,তাপস কান্তি বল। অপরদিকে আসামীপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট শিশির মুহাম্মদ মনির ও রাইহানুল ইসলাম। গত ১৫ জুন আইও জবানবন্দি পেশ করেন।
ইদ্রিস আলী তার জবানবন্দিতে বলেন,২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে গিয়ে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস,বিভিন্ন লেখকের বই ও পত্র-পত্রিকা পর্যালোচনা করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বই ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিবেদন সম্বলিত পত্রিকার কাটিং সংগ্রহ করেন। আদালতে তার বিস্তারিত বিবরন তুলেধরেন।
আজহারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত ৯ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধে ৬টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে,যার মধ্যে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির (উর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) রয়েছে। অপরাধের মধ্যে রয়েছে গনহত্যা, হত্যা, লুন্ঠন, ধর্ষন, নির্যাতন, আটক, অপহরণ, শুরুতর জখম ও অগ্নিসংযোগ।
মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এ মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে রাজধানীর মগবাজারস্থ নিজ বাসা থেকে ২০১২ সালের ২২ আগস্ট আজহারকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
ঢাকা,কেএ ৬ জুলাই(টাইমনিউজবিডি.কম)//





