জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন বিশেষ আদালতে হাজির হয়েছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি আদালতে আসেন। আজ এ আদালতে বহুল আলোচিত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য তারিখ নির্ধারণ রয়েছে।
তবে গত ৬ ফেব্রুয়ারি খন্দকার হাসান মাহমুদ ফিরোজ নতুন বিচারকের দায়িত্ব পাওয়ায় রায় প্রকাশ নিয়ে সংশয় রয়েছে।
এ বিষয় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আসাদুজাম্মান খান রচি টাইম নিউজকে বলেন, ইচ্ছা করলে বিচারক রায় দিতে পারেন অথবা নতুন করে যুক্তিতকের্র জন্য তারিখ দিতে পারেন ।
তিনি আরো বলেন, আজ এ মামলার রায় নিয়ে সংশয় রয়েছে ।
১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় চট্টগ্রামে একদল সৈন্যের গুলিতে নিহত হন জিয়াউর রহমান। ওই ঘটনার পর পুলিশের হাতে আটক হন জেনারেল মঞ্জুর। পুলিশ হেফাজত থেকে ১ জুন চট্টগ্রাম সেনানিবাসে নেয়ার পর তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
পরে ১৯৯৫ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুরের ভাই আইনজীবী আবুল মনসুর আহমেদ চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন। ১৯৯৫ সালের ২৭ জুন এরশাদসহ পাঁচজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।
মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত বাকি চার আসামি হলেন- অবসরপ্রাপ্ত মেজর কাজী এমদাদুল হক ও অবসর প্রাপ্ত লেফটেনেন্ট কর্নেল মোস্তফা কামাল উদ্দিন ভূইয়া, অবসর প্রাপ্ত মেজর জেনারেল আবদুল লতিফ ও অবসর প্রাপ্ত লেফটেনেন্ট কর্নেল শামসুর রহমান শামসের। মামলার পাঁচ আসামিই উচ্চ আদালতের জামিনে রয়েছেন। এ মামলায় মোট ২৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
[b]ঢাকা,১০ফেব্রুয়ারি,(টাইমনিউজবিডি)//এসএইচ[/b]
অপরাধ
মঞ্জুর হত্যা মামলায় আদালতে এরশাদ, রায় অনিশ্চিত
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন বিশেষ আদালতে হাজির হয়েছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি আদালতে আসেন। আজ এ আদালতে বহুল আলোচিত মেজর জেনারেল





