যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (অর্থ) এবং নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার কমিশনের নিয়মিত সভায় দন্ডবিধির ৪০৯/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেয়া হয়।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপ পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ২০০৮ সালের ২৭ জুলাই দুদক যমুনা সেতুর পূর্ব থানায় ৯জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। আসামিরা পারষ্পরিক যোগসাজশে অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে এ অপকর্মটি করেন।
পরে দুদকের সহকারি পরিচালক সৈয়দ আহমেদ মামলাটি তদন্ত করে কমিশনের সংশ্লিষ্ট শাখায় প্রতিবেদন দাখিল করেন।
চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের সাবেক পরিচালক (অর্থ) মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সাবেক নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন লি’র ম্যানেজার মোঃ আব্দুল হাকিম এবং কনসালটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার ইফতেখার আহমেদ খান।
এছাড়া একই মামলার অভিযোগ থেকে ৫ জনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। অব্যাহতি প্রাপ্তরা হলেন; হুন্দাই ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন লিঃ এর সাবেক জেনারেল ম্যানেজার ডব্লিউ এস. কিম, একই প্রতিষ্ঠানের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কেটিএম, যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের সাবেক নির্বাহী পরিচালক আমির উদ্দিন আহমেদ, সাপ্লাইয়ার মোস্তফা কামাল শামীম এবং সাইফুল ইসলাম।
একে





